চেয়ে দেখ, ধেয়ে মৃত্যু আসছে
ঐ দিকের ঐ চত্বরটাতে,
যেথায় মেলা বসত সুর আর তালের—
সেখানটা আজ শ্মশান সেজে,
জায়গাটা আজ ধ্বংসাবশেষের।
চেয়ে দেখ, ধেয়ে মৃত্যু আসছে
দালানঘেরা ঐ অফিস এলাকায়,
যেথায় রোজ সকালের ব্যস্ততা আর
উড়ো রাজনীতির ঢল বইত।
ওদিকটা আজ লাশের গন্ধে ভরা,
ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়েছে সব—
অফিস, আদালত, রাস্তা-ঘাট সব বন্ধ।
চেয়ে দেখ, ধেয়ে মৃত্যু আসছে—
এই তো সেই প্রিয় ক্যাম্পাস।
অতীতের চা থেকে শুরু করে
ভবিষ্যতের ক্লান্তিনাশ সবকিছু তো তাকে ঘিরে।
আজ সেথায় নিশ্চিহ্ন সব,
নেই কোনো স্বপ্নের আনাগোনা।
চেয়ে দেখ, ধেয়ে মৃত্যু আসছে—
একটু একটু করে জমান সেই কানাকড়ি,
উজ্জ্বল দিন হবে সন্তানের
এই ভেবে তাকে গুঁড়ি গুঁড়ি হাঁটতে শেখান।
আজ কোথায় তারা? নেই কেউ?
কোথাও কেউ নেই—শহরজুড়ে আজ শূন্যতা।
সবাই শায়িত তবে এই ধ্বংসাবশেষের নিচে।
চেয়ে দেখ, মৃত্যু আসছে সন্নিকটে—
এই তো সেই রাস্তা যেথায় হাঁটাও বেশ কষ্টসাধ্য।
আজ কোথায় ট্রাফিক, কোথায় তোমার আলোর ঝলক?
সব অস্তমিত, সব কিছু থমকে গেছে।
সবই আছে এই শহরের ঐ ধ্বংসাবশেষে—
শুধু নেই সেই প্রাণের সঞ্চালন।
চেয়ে দেখ, ধেয়ে মৃত্যু আসছে।
চেয়ে দেখ…চেয়ে দেখ—
ধেয়ে মৃত্যু আসছে।
ভিষণ সন্নিকটে…


